Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login বলিউড চলে গেলেন ‘পুষ্পক বিমানম’ নির্মাতা বিনোদন ডেস্ক প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪: ৪৫ সিঙ্গীতম শ্রীনিবাস রাও। এক্স থেকে ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা সিঙ্গীতম শ্রীনিবাস রাও মারা গেছেন। গতকাল শনিবার রাতে চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। বয়সজনিত নানা সমস্যায় কিছুদিন ধরে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।
তেলুগু সিনেমার অন্যতম উদ্ভাবনী নির্মাতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন সিঙ্গীতম। বিজ্ঞান কল্পকাহিনি, ফ্যান্টাসি, কমেডি, সামাজিক গল্প, জীবনীভিত্তিক সিনেমা—কোনো নির্দিষ্ট ঘরানায় নিজেকে আটকে রাখেননি তিনি। পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে সিনেমা বানিয়েছেন একাধিক ভাষায়। তাঁর নির্মিত ছবির সংখ্যা ৬০-এর বেশি।
সহকারী হিসেবে শুরু ১৯৩১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর অন্ধ্রপ্রদেশের গুদুরে জন্ম সিঙ্গীতম শ্রীনিবাস রাওয়ের। সিনেমায় তাঁর হাতেখড়ি কিংবদন্তি পরিচালক কে ভি রেড্ডির সহকারী হিসেবে। ‘মায়াবাজার’ (১৯৫৭) ও ‘জগদেকা ভীরুনি কথা’র (১৯৬১) মতো গুরুত্বপূর্ণ ছবির নির্মাণপ্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। সেই সময়ের অভিজ্ঞতাই পরবর্তী সময়ে তাঁর নিজস্ব চলচ্চিত্রভাষা তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখে।
১৯৭২ সালে ‘নীতি নিজায়িতি’ দিয়ে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন সিঙ্গীতম। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। সামাজিক গল্প থেকে শুরু করে ব্যতিক্রমী কল্পকাহিনি, প্রতিটি ছবিতেই নতুন কিছু করার চেষ্টা ছিল তাঁর।
‘ময়ুরি’ থেকে জাতীয় পুরস্কার ১৯৭৪ সালে নির্মাণ করেন ‘দিক্কাত্র পার্বতী’। ছবিটি তামিল ভাষার সেরা ফিচার ফিল্ম হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পায়। ১৯৭৭ সালের ‘থারাম মারিন্দি’ও সিঙ্গীতমকে এনে দেয় নান্দী পুরস্কার।
১৯৮৫ সালের ‘ময়ুরি’ ছিল সিঙ্গীতমের আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাজ। ভারতীয় নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী সুধা চন্দ্রনের জীবনের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত ছবিতে সুধাই অভিনয় করেছিলেন। ছবিটি বিপুল সাড়া পায় এবং একাধিক পুরস্কার অর্জন করে। পরে এটি হিন্দিতে ‘নাচে ময়ুরি’ নামে নির্মিত হয়।
সংলাপ ছাড়াই সিনেমা! সিঙ্গীতমের সবচেয়ে স্মরণীয় কাজগুলোর একটি ‘পুষ্পক বিমানম’; কমল হাসান ও অমলা অভিনীত ১৯৮৭ সালের ছবি। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয়, ছবিটিতে প্রচলিত অর্থে কোনো সংলাপ ছিল না। শব্দ, অভিনয়, শরীরী ভাষা ও