শনিবার, 26 সেপ্টেম্বর 2026
⚠ ব্রেকিং
জাতীয় 🇧🇩 বাংলা

দাম্পত্যে ভালোবাসা: নবীজির জীবন থেকে ১০ সুন্নত

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login ইসলাম সিরাত দাম্পত্যে ভালোবাসা: নবীজির জীবন থেকে ১০ সুন্নত ধর্ম ডেস্ক প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর

শেয়ার করুন:
দাম্পত্যে ভালোবাসা: নবীজির জীবন থেকে ১০ সুন্নত

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login ইসলাম সিরাত দাম্পত্যে ভালোবাসা: নবীজির জীবন থেকে ১০ সুন্নত ধর্ম ডেস্ক প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ৩০ ছবি: পেক্সেলস তিনি একজন নবী, রাষ্ট্রনায়ক, সমাজ সংস্কারক। এত ব্যস্ততার মাঝেও কীভাবে দাম্পত্যের সূক্ষ্ম আবেগ, কোমলতা এবং ভালোবাসার ফুল ফোটাতে হয়—তিনি তা নিজের প্রাত্যহিক আচরণ দিয়ে শিখিয়ে গেছেন।

বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম, যে তার স্ত্রীর নিকট সর্বোত্তম; আর আমি আমার স্ত্রীদের নিকট তোমাদের চেয়েও উত্তম।” (সুনান ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৯৭৭)

নবীজির থেকে দাম্পত্য ভালোবাসার ১০টি হৃদয়গ্রাহী ও অনুকরণীয় সুন্নত তুলে ধরা হলো:

অনেকে স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা মনের ভেতর গোপন রাখাকেই পৌরুষের লক্ষণ মনে করেন। কিন্তু আল্লাহর রাসুল (সা.) ভালোবাসা প্রকাশে ছিলেন অকপট।

সাহাবি আমর ইবনুল আস (রা.) একবার নবীজিকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘মানুষের মধ্যে আপনার কাছে সবচেয়ে প্রিয় কে?’ কোনো প্রকার দ্বিধা ছাড়াই উত্তর দিলেন, ‘আয়েশা।’ আমর পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, ‘পুরুষদের মধ্যে কে?’ তিনি বললেন, ‘তার পিতা (আবু বকর)।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৬৬২)

ভালোবাসার এই প্রকাশ শুধু মুখের কথায় সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা জড়িয়ে ছিল প্রাত্যহিক অভ্যাসেও। আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, “আমি ঋতুবতী অবস্থায় পাত্র থেকে পানি পান করতাম; অতঃপর মহানবী (সা.) পাত্রটি নিজের হাতে নিয়ে ঠিক সেই জায়গায় নিজের মুখ রাখতেন, যেখানে আমি মুখ রেখে পান করেছিলাম; এবং সেখান থেকেই তিনি পান করতেন।” (সুনানে নাসায়ি, হাদিস: ৭০)

দাম্পত্য জীবনে ছোট ছোট যত্ন পরম বরকত বয়ে আনে। স্ত্রীর মুখে ভালোবেসে এক লোকমা খাবার তুলে দেওয়াকে আল্লাহর কাছে মহা পুরস্কারের কারণ সাব্যস্ত করা হয়েছে।

মহানবী (সা.) বলেছেন, “আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তুমি যা কিছুই ব্যয় করবে, তার জন্য তোমাকে অবশ্যই পুরস্কৃত করা হবে; এমনকি তুমি ভালোবেসে যে লোকমাটি তোমার স্ত্রীর মুখে তুলে দাও, তার জন্যও তুমি সওয়াব লাভ করবে।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৬)

স্ত্রীর মন ভালো রাখতে খেলাধুলা ও শরীরচর্চামূলক আনন্দে নবীজি সময় দিতেন।

আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, একবার এক সফরে মহানবী (সা.) কাফেলাকে কিছুটা এগিয়ে যেতে বললেন এবং তিনি একান্তে আয়েশাকে ডেকে বললেন, ‘এসো, আমরা দুজন দৌড় প্রতিযোগিতা করি!’

আয়েশা (রা.) বলেন, “

শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত সংবাদ