শুক্রবার, 25 সেপ্টেম্বর 2026
⚠ ব্রেকিং
জাতীয় 🇧🇩 বাংলা

‘এক্স-মেন’ থেকে ‘প্রিসিলা’, হলিউডের কত গল্প এই বাড়িতে

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login হলিউড ‘এক্স-মেন’ থেকে ‘প্রিসিলা’, হলিউডের কত গল্প এই বাড়িতে মাসুম অপু কানাডা থেকে Head of C

শেয়ার করুন:
‘এক্স-মেন’ থেকে ‘প্রিসিলা’, হলিউডের কত গল্প এই বাড়িতে

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login হলিউড ‘এক্স-মেন’ থেকে ‘প্রিসিলা’, হলিউডের কত গল্প এই বাড়িতে মাসুম অপু কানাডা থেকে Head of Culture and Entertainment,Daily prothom... প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪: ৪৯ অন্টারিও প্রদেশের ওশাওয়া শহরের পার্কউড এস্টেট। কোলাজ জায়গাটা চেনা চেনা লাগছিল। ভেতরে বিশাল সাদা প্রাসাদ, সামনে সারি সারি স্তম্ভ, চারপাশে সবুজের বিস্তার। আরে, এটা তো প্রফেসর চার্লস জেভিয়ারের সেই বিখ্যাত স্কুল! এখানেই না আশ্রয় নিত বিশেষ ক্ষমতার অধিকারী মিউট্যান্টরা।

হ্যাঁ, পর্দার ‘এক্স-ম্যানশন’-এর একটি অংশ এটাই। কানাডার অন্টারিও প্রদেশের ওশাওয়া শহরের পার্কউড এস্টেট। ২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া ব্রায়ান সিঙ্গারের আলোচিত সিনেমা ‘এক্স-মেন’-এ প্রফেসর জেভিয়ারের একাডেমির বাইরের অংশের পটভূমি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল এই এস্টেটকে। পার্কউড কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, জুনিয়র এক্স-মেনরা যে একাডেমিতে নিজেদের বিশেষ ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের প্রশিক্ষণ নিত, তার বাইরের দৃশ্যগুলোতে দেখা গেছে পার্কউডকে।

প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের প্রফেসর এক্স, হিউ জ্যাকম্যানের উলভারিন, হ্যালি বেরির স্টর্ম কিংবা ফ্যামকে জনসনের জিন গ্রে—তাঁদের সিনেমার জগতের সঙ্গে ওশাওয়ার এই বাড়ির যোগ; সব মিলিয়ে বাড়িটির প্রতি আগ্রহ তৈরি হতে সময় লাগেনি মোটেও। ওশাওয়ার পার্কউড এস্টেটের সামনে দাঁড়িয়ে প্রশ্নটা আপনারও আসতেই পারে—এই বাড়িটা আগে কোথায় দেখেছি?

উত্তরটা হয়তো আপনার দেখা কোনো সিনেমা কিংবা সিরিজের মধ্যেই লুকিয়ে আছে।

মঙ্গলবার দুপুরে পার্কউডে মঙ্গলবার দুপুরে যখন পার্কউডে পৌঁছালাম, পরিবেশ শান্ত, ছিমছাম। যে যাঁর মতো সময় কাটাচ্ছেন। এক প্রবীণকে দেখা গেল পার্কের মতো একটি জায়গায় বসে গভীর মনোযোগে বই পড়ছেন। বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই, এই শান্ত পরিবেশেই নিয়মিত চলে বড় বড় চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রযোজনার কর্মযজ্ঞ।

আমরা যখন গেলাম, তখনো সেখানে একটি শুটিং চলছিল। স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল হলো—কিসের শুটিং? কারা এসেছেন? শুটিং–সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের কাছে জানার চেষ্টা করলাম। কিন্তু কেউই কোনো তথ্য দিতে রাজি হলেন না। ফলে সেই রহস্য আর ভাঙল না।

পরে কথা হলো পার্কউড ন্যাশনাল হিস্টোরিক সাইটের কিউরেটর সামান্থা জর্জের সঙ্গে। ২৬ বছর ধরে তিনি পার্কউডে কাজ করছেন। কিউরেটরের দায়িত্বের পাশাপাশি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশ

শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত সংবাদ