শুক্রবার, 25 সেপ্টেম্বর 2026
⚠ ব্রেকিং
জাতীয় 🇧🇩 বাংলা

নজরুলের পুরুষকার

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login নিবন্ধ নজরুলের পুরুষকার কবি কাজী নজরুল ইসলামের পৌরুষ কি শুধু বীরত্ব, নাকি তার গভীরে আছে অভি

শেয়ার করুন:
নজরুলের পুরুষকার

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login নিবন্ধ নজরুলের পুরুষকার কবি কাজী নজরুল ইসলামের পৌরুষ কি শুধু বীরত্ব, নাকি তার গভীরে আছে অভিমান, প্রেম ও আত্মদানের বোধ? উপনিবেশ, জাতপাত ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তাঁর লড়াইয়ে কেমন ছিল সেই পুরুষকার? নজরুলের সেই স্বতন্ত্র সত্তার উৎস খুঁজেছেন লেখক।

আনিসুজ্জামান সোহেলের কাজী নজরুল ইসলামের (২৫ মে ১৮৯৯—২৯ আগস্ট ১৯৭৬) প্রতিকৃতি অবলম্বনে গ্রাফিকস: প্রথম আলো ‘সেই আমি প্রথম দেখলাম নজরুলকে, অন্য অনেক অসংখ্যের মতোই দেখামাত্র প্রেমে প’ড়ে গেলাম। চওড়া কাঁধে বলিষ্ঠ তাঁর দেহ, মাঝখান দিয়ে সোজা-সিঁথি করা কোঁকড়া চুল গ্রীবা ছাপিয়ে প্লাবিত, মুখখানা বড়ো ও গোল ছাঁদের, নেত্র আয়ত ও কোণরক্তিম। গায়ে গেরুয়া রঙের খদ্দর পাঞ্জাবি, কাঁধে সূর্যমুখী-হলদে চাদর। কণ্ঠে তাঁর হাসি, কণ্ঠে তাঁর গান, প্রাণে তাঁর অফুরান আনন্দ—সব মিলিয়ে মনোলুণ্ঠনকারী একটি মানুষ।’

এই হলেন বুদ্ধদেব বসুর চোখে নজরুল। এই নজরুল সশরীর, মনোলুণ্ঠনকারী এক মানুষ। শরীরের বাইরে সাহিত্যেও নজরুলের পৌরুষ ও পুরুষকারের এক প্রণয়ন পাওয়া যায়। প্রাক্-উপনিবেশি প্রজা বা উপনিবেশি ভদ্রলোক বাবুর যে পৌরুষ, উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের জমানার নজরুলের অনুভববিদ্যায় তার তুলনায় ভিন্ন এক পৌরুষ পাওয়া যায়। সমাজে যখন পরিবর্তনের সম্ভাবনা আসে, সেই নতুনের অনুভবের প্রযত্ন করা কবির কাজ। মধুসূদনের ধ্রুপদি রোমান্টিক অতিরেক, বঙ্কিমের আমলা-প্রশাসক-ঋষিগিরি বা রবীন্দ্রনাথের উপনিষদীয় আধ্যাত্মিক ব্রাহ্মমুহূর্তের পরে নজরুল এসেছিলেন বিংশ শতাব্দীর ইলেকট্রিক সত্তায়ন ধারণ করে।

নজরুলের পৌরুষের প্রধান গুণ মনে হয় অভিমান। নজরুল নিজেই বলেছেন তিনি ‘অতিরিক্ত অভিমানী’। বাংলায় ‘অভিমান’ শব্দ দিয়ে অহমিকাও বোঝায়—চির উন্নত মম শির; আবার অভিমানের আরেকটা অর্থ হলো যার সঙ্গে মনের যোগ আছে তার মুখ ভেবে বিমুখ হয়ে থাকার লীলা। যে বিমুখতা উন্মুখ, তাকেই বলে অভিমান। অর্থাৎ মান-অভিমান ধারণার দুই ধাপ: (১) অন্যের প্রতি বিমুখ হয়ে সীমা টেনে দেওয়া এবং (২) অন্যকে সেই সীমাকে লঙ্ঘন করতে দেওয়ার লীলা। অবশ্য এই লীলা প্রিয়জনের সঙ্গে চলে, সবার সঙ্গে নয়। অভিমান হলো প্রিয়জন বা রসজ্ঞের কাছে সীমা ও সীমাচ্যুতির লীলাময় মিথস্ক্রিয়া।

সংস্কৃত কাব্যে মান-অভিমান অনেকটা লিঙ্গচিহ্নিত। অর্থাৎ সাধারণত নায়িকাই সেখানে মান-অভিমান করে। আর

শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত সংবাদ