শুক্রবার, 2 অক্টোবর 2026
⚠ ব্রেকিং
জাতীয় 🇧🇩 বাংলা

পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত বাসস ঢাকা প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩: ২

শেয়ার করুন:
পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত বাসস ঢাকা প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩: ২১ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগে পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

বরখাস্ত দুজন হলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান ও গাজীপুরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২–এর সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী।

গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এই দুজনের বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মেহেদী হাসান ডিএমপির (ট্রাফিক-দক্ষিণ) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। পরবর্তী সময়ে তাঁর স্থায়ী–বর্তমান ঠিকানাসহ ই–মেইলে নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কর্মস্থলে হাজির হননি। তাঁর এমন কর্মকাণ্ড সরকারি দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা ও বিভাগীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী। এটি সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুসারে ‘পলায়ন’–এর আওতাভুক্ত ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ অধিদপ্তর থেকে পত্র পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১৯ জুন তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী প্রেরণ করে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) অনুযায়ী তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। জবাব দাখিলের জন্য নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হলেও আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি জবাব দাখিল করেননি।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, একই সঙ্গে মেহেদী হাসান সময় বাড়ানোরও কোনো আবেদন করেননি। অভিযোগগুলো তদন্তের জন্য ২০২৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত শেষে দাখিল করা প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে বিধি অনুসারে পলায়নের অভিযোগ সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। বিধি মোতাবেক চলতি বছরের ৪ জুন দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়। তিনি দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশেরও জবাব দাখিল করেননি। তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্তের গুরু

শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত সংবাদ