Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login জেলা আয়নাবাজি: দক্ষিণ কোরিয়ায় থেকেই আদালতে আত্মসমর্পণ, পরে ধরা পড়ল জালিয়াতি নিজস্ব প্রতিবেদক খুলনা প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৭: ০৪ ফিরোজ আলম শাওন ছবি: সংগৃহীত দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থান করছিলেন খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বরুইতলা সেনহাটির বাসিন্দা ফিরোজ আলম শাওন। অথচ আদালতের নথিতে দেখা গেল, তিনি মারামারির মামলায় আত্মসমর্পণ করে দেশে জামিন নিয়েছেন। পরে জানা গেল, শাওন আদালতে যাননি; তাঁর বদলে হাজির করা হয়েছিলেন অন্য একজনকে। কয়েক মাস পর বিষয়টি আদালতের নজরে এলে বেরিয়ে আসে জামিন জালিয়াতির ঘটনা।
‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রের মূল চরিত্র শরাফত করিম আয়না (চঞ্চল চৌধুরী) টাকার বিনিময়ে অন্যের হয়ে জেল খাটেন। তবে এ ঘটনা হুবহু সে রকম না হলেও অন্য একজনকে শাওন সাজিয়ে জামিন নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটিকে অনেকটা জামিন নিতে আদালতে আয়নাবাজি বলা চলে।
এ ঘটনায় গত ৬ আগস্ট খুলনা সদর থানায় মামলা হয়। মামলায় অন্যের পরিচয়ে প্রতারণা এবং জাল কাগজপত্র আসল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়। এতে শাওনকে প্রধান আসামি, তাঁর আইনজীবী সরদার শাহজাহান আলীকে দ্বিতীয় আসামি এবং অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়। এর মধ্যে গতকাল শনিবার রাতে শাওনের ভাই ফেরদৌস আলমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি এজাহারভুক্ত আসামি নন। আজ রোববার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে ২০২৫ সালের ১৫ মার্চ রাতে দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি বরুইতলা ঘাট এলাকায় প্রতিবেশী মুন্সি তরিকুল আমিনকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ফিরোজ আলম শাওন ও তাঁর স্বজনদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তরিকুল বাদী হয়ে শাওনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্ত করে দিঘলিয়া থানা।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দিঘলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জামিল হোসেন ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনে শুধু ফিরোজ আলম শাওনকে অভিযুক্ত করা হয়। বর্তমানে খুলনার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে।
মামলার বাদী তরিকুল আমিনের আইনজীবী আজমল হোসেন বলেন, আদালত মামলার অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য করলে তাঁরা জানতে পারেন, গত ১৬ মার্চ শাওন জামিন নিয়েছেন। তখন বাদী তরিকুল আদালতকে জানান, শাওন দীর্ঘদিন ধরে দ