Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login জেলা বাড়িতে ঢুকে তরুণকে গুলি করে হত্যা নেপথ্যের কারণ ঝুট-ভাঙারির ব্যবসা এবং চাঁদাবাজি নিয়ে তিন বন্ধুর দ্বন্দ্ব প্রণব কুমার দেবনাথ নরসিংদী আপডেট: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ৫৩ আবদুল্লাহ বাবু ছবি : সংগৃহীত নরসিংদী শহরের চৌয়ালায় এক তরুণকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় সামনে এসেছে টেক্সটাইল শিল্পের ঝুট–ভাঙারির ব্যবসা এবং চাঁদাবাজি নিয়ে দ্বন্দ্ব। এসবে নেতৃত্ব দেওয়া তিন বন্ধুর সম্পর্কের অবনতির ধারাবাহিকতায় এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে, এমন অভিযোগ নিহত তরুণের পরিবারের সদস্যদের।
গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে নরসিংদী শহরের চৌয়ালা এলাকায় উত্তর পাড়ায় বাড়িতে ঢুকে আবদুল্লাহ বাবুকে (২৬) গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি ওই এলাকার মৃত আবদুল কাদেরের ছেলে। একটি বিদ্যালয়ের সামনে ফুচকা-চটপটি বিক্রি করতেন তিনি।
এ ঘটনায় আজ শনিবার সকালে আবদুল্লাহর বড় ভাই রুবেল মিয়া বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলায় প্রধান আসামি শহরের খাটেহারা এলাকার আবু লাল (৪২)। অন্য আসামিরা তাঁর অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর আল মামুন জানান, আবদুল্লাহ বাবু হত্যার ঘটনায় আবু লালসহ ১৭ জনের নামোল্লেখ করে মামলা হয়েছে। আসামিরা বর্তমানে এলাকাছাড়া। তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আবদুল্লাহ গতকাল বিকেল চারটা দিকে ঘরের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় পূর্বশত্রুতার জেরে আবু লালের নেতৃত্বে আসামিরা পিস্তল, চাপাতি, রামদাসহ বাড়িতে ঢোকেন। তখন আবদুল্লাহকে এলোপাতাড়ি গুলি করা হয়। আবদুল্লাহও ঘরে থাকা হাঁসুয়া দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকলে মিরাজ নামের এক হামলাকারী আহত হন। পরেই আবু লাল হাতে থাকা পিস্তল দিয়ে আবদুল্লাহকে গুলি করেন। একটি গুলি তাঁর বুকে, আরেকটি গুলি হাতে বিদ্ধ হয়। ভাইকে বাঁচাতে গেলে রুবেলকে কুপিয়ে আহত করা হয়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা চলে যান। এরপর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক আবদুল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন।
আজ দুপুরে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গের সামনে লাশের অপেক্ষায় বসেছিলেন আবদুল্লাহর মা শায়েরা বেগম, ভাই রুবেলসহ পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা জানান, তিন মাস আগেও আবু লাল, হেলাল ও সনেট খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু