Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login বাংলাদেশ মৃত্যুর মুখেও আলতাফ মাহমুদ বলেছিলেন, ‘আমাদের দেশ অবশ্যই স্বাধীন হবে’ আলতাফ মাহমুদের সঙ্গে বন্দী হয়ে বেঁচে ফেরা সহযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণায় উঠে এল তাঁর শেষ দিনগুলোর কথা।
স্মৃতি ৭১ আয়োজিত ‘শহীদ আলতাফ মাহমুদের মুক্তিযুদ্ধ এবং তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধার বিস্ময়কর ভাবে বেঁচে ফেরার গল্প’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে (বাঁ থেকে), নিলু বিল্লাহ, নাসের বখতিয়ার, খায়রুল আলম বিল্লাহ ও আবুল বারক আলভী। রাজধানীর ছায়ানট মিলনায়তনে। ৩ অক্টোবর ছবি: প্রথম আলো ‘আলতাফ মাহমুদ নিশ্চিত জানতেন তাঁকে হত্যা করা হবে। হানাদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাঁকে ছাড়বে না। তবু তিনি মনোবল অটুট রেখেছিলেন। একটুও সাহস হারাননি। তাঁর কপাল থেকে অনেকখানি চামড়া কেটে ঝুলে পড়েছিল বেয়োনেটের আঘাতে। রাইফেলের বাঁটের আঘাতে মুখের এক পাশ ভয়ানক জখম হয়েছিল। একটা চোখ বুজে গিয়েছিল। সারা শরীরে ছিল আঘাতের চিহ্ন। ঠিকমতো বসেও থাকতে পারতেন না। আমার কাঁধে মাথা রেখে বলেছিলেন, “আমাকে ওরা ছাড়বে না। আমার জন্য চিন্তা কোরো না। আমাদের দেশ অবশ্যই স্বাধীন হবে।” আমাদের তিনি সাহস না হারাতে বলতেন।’
শহীদ সুরকার আলতাফ মাহমুদের শেষ দিনগুলোর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে এই বর্ণনা দিয়েছেন তাঁর সঙ্গে বন্দিশালায় থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল আলম বিল্লাহ ওরফে খনু বিল্লাহ। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ছায়ানট মিলনায়তনে স্মৃতি ৭১ আয়োজিত ‘শহীদ আলতাফ মাহমুদের মুক্তিযুদ্ধ এবং তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধার বিস্ময়করভাবে বেঁচে ফেরার গল্প’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে খায়রুল আলম বিল্লাহ অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে আলতাফ মাহমুদের শেষ দিনগুলো ও তাঁদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের বিবরণ দর্শকদের কাছে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে আরও স্মৃতিচারণা করেন আলতাফ মাহমুদের সঙ্গে একই দিনে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে আটক শিল্পী আবুল বার্ক্ আলভী, ব্যাংকার নাসের বখতিয়ার ও সংগীতশিল্পী লিনু বিল্লাহ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ও ছায়ানট সভাপতি সারওয়ার আলী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় যাঁরা দেশের অভ্যন্তরে থেকে গিয়েছিলেন, তাঁরা নানাভাবে ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে তাঁরা অনেকটা উপেক্ষিত থেকেছেন। মনে রাখা দরকার, মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি জনযুদ্ধ। দেশের অভ্যন্তরে থেকে যাঁরা মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছিলেন, তাঁদের সেই সহযোগিত