বুধবার, 30 সেপ্টেম্বর 2026
⚠ ব্রেকিং
জাতীয় 🇧🇩 বাংলা
🌐 এই সংবাদটি English এও পাওয়া যাচ্ছে 🇬🇧 Read in English

মানুষের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছি

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login ব্যাংক সাক্ষাৎকার মানুষের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছি বর্তমানে ৪০০টি উপশাখা এবং ৬২৩টি এজে

শেয়ার করুন:
মানুষের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছি

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login ব্যাংক সাক্ষাৎকার মানুষের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছি বর্তমানে ৪০০টি উপশাখা এবং ৬২৩টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

প্রথম আলো : আপনাদের ব্যাংকে উপশাখা ও এজেন্ট মডেলের মাধ্যমে দ্রুত নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পেছনের কৌশলটি কী?

মো. তৌহিদুল আলম খান: আমাদের মূল দর্শন হচ্ছে ব্যাংকিং সেবা গ্রাহকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। গ্রাহককে সব সময় ব্যাংকের কাছে আসতে হবে—এমন নয়। সেই চিন্তা থেকেই শাখার পাশাপাশি উপশাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিংকে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি। এ জন্য আমরা ব্যয়সাশ্রয়ী ও সময়োপযোগী প্রযুক্তির ব্যবহার করছি।

বর্তমানে আমাদের শাখার সংখ্যা ১০৯। সেই তুলনায় উপশাখা ও এজেন্ট পয়েন্টের সংখ্যা অনেক বেশি। বর্তমানে ৪০০টি উপশাখা এবং ৬২৩টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আমরা জেলা, উপজেলা ও প্রত্যন্ত গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত মানুষকে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিংয়ের আওতায় আনতে পারছি।

চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকের মধ্যে আপনাদের সবচেয়ে বড় সফলতা ক্ষুদ্রঋণ ডিজিটাল প্রক্রিয়া ব্যাংকিং চ্যানেলে নিয়ে আসা। এ ক্ষেত্রে আপনারা কীভাবে সফল হলেন?

মো. তৌহিদুল আলম খান: ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার জন্য বড় ঋণের কাঠামো সব সময় কার্যকর নয়। তাই আমরা সহযোগিতামূলক ও সম্পর্কভিত্তিক ব্যাংকিং, ছোট অঙ্কের ঋণ এবং উদ্যোক্তার ব্যবসার প্রকৃতি বোঝার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। বিশেষ করে নারী ও গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের জন্য জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণের সুযোগ তৈরি করছি।

সে ক্ষেত্রে এনআরবিসি ব্যাংকের দক্ষ ও অভিজ্ঞ তথ্যপ্রযুক্তি দলের নিজস্ব উদ্ভাবনী এলপিএসের (লোন প্রসেসিং সিস্টেম) মাধ্যমে ঋণ আবেদন গ্রহণের পর থেকে বিতরণ পর্যন্ত সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে ক্ষুদ্রঋণ গ্রাহকের হাতে পৌঁছানো—এটি একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। ২০২১ সালের মার্চ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ উদ্যোক্তাকে ঋণ প্রদান করেছি। বর্তমানে ক্ষুদ্রঋণের স্থিতি রয়েছে প্রায় ১ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা।

প্রান্তিক পর্যায়ে দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর পাশাপাশি সম্পদের নিরাপত্তা বা খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন?

শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত সংবাদ