X (Twitter) Toggle navigation সর্বশেষ বাংলাদেশ জাতীয় রাজনীতি বিশেষ প্রতিবেদন দেশজুড়ে জেলার খবর অর্থনীতি আন্তর্জাতিক খেলাধুলা ক্রিকেট ফুটবল চাকরি টপ টেন ভিডিও বিনোদন হলিউড বলিউড ফিচার ফটো গ্যালারি লাইফস্টাইল তথ্যপ্রযুক্তি ভ্রমণ কৃষি ও প্রকৃতি জোকস একুশে বইমেলা অন্যান্য শিক্ষা ক্যাম্পাস স্বাস্থ্য আইন-আদালত ধর্ম ইসলাম অন্যান্য ধর্ম প্রবাস গণমাধ্যম নারী ও শিশু বাণিজ্য মেলা সাহিত্য জাগো জবস মতামত সোশ্যাল মিডিয়া পডকাস্ট আর্কাইভ বিবিধ ইউনিকোড কনভার্টার ENG মতামত আর কত প্রাণ গেলে নিরাপদ হবে যাত্রা? ড. হারুন রশীদ ড. হারুন রশীদ , ডেপুটি এডিটর (জাগো নিউজ) প্রকাশিত: ০৯:৪৫ এএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ X (Twitter) X একজন মানুষ বাসে উঠলেন। তাঁর হাতে হয়তো অফিসের ব্যাগ, পাশে সন্তান কিংবা দূরের বাড়ি ফেরার তাড়া। তিনি শুধু একটি আসন চান, নির্ধারিত ভাড়া দিতে চান এবং নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে চান। এই চাওয়াগুলো খুব বেশি কিছু নয়। অথচ বাংলাদেশের গণপরিবহনে এ সামান্য প্রত্যাশাগুলোই অনেক সময় বিলাসিতার মতো মনে হয়। বাসে উঠেই যাত্রীকে ভাবতে হয়—ভাড়া কত চাইবে, বাসটি আদৌ নিরাপদ কি না, চালক অতিরিক্ত গতিতে চালাবেন কি না, পথে নামিয়ে দেবেন কি না, প্রতিবাদ করলে অপমানিত হতে হবে কি না। আরও বড় ভয়—জীবিত অবস্থায় গন্তব্যে পৌঁছানো যাবে তো?
গতকাল ১৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে যাত্রী অধিকার দিবস পালিত হয়। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি ২০১৯ সাল থেকে প্রতীকীভাবে এ দিবস পালন করে আসছে। যাত্রী হয়রানি, ভাড়া নৈরাজ্য, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরিই এর অন্যতম উদ্দেশ্য। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কয়েক বছর ধরে দিবসটি পালনের পরও যাত্রীদের মৌলিক নিরাপত্তা কেন নিশ্চিত হলো না?
প্রশ্নটি কেবল বাসের নয়। সড়ক, রেল ও নৌপথ—সব ধরনের যাত্রীর ক্ষেত্রেই নিরাপত্তা নাগরিক অধিকারের অংশ। একজন মানুষ যখন টিকিট কিনে কোনো পরিবহন ব্যবহার করেন, তখন তিনি কেবল একটি সেবা কিনছেন না; তিনি রাষ্ট্রের একটি নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার ওপর আস্থা রাখছেন। সেই আস্থার বিনিময়ে তাঁর নিরাপদ যাত্রার নিশ্চয়তা পাওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবতা প্রায়ই উল্টো।
পরিসংখ্যানের দিকে তাকালেই বিষয়টির ভয়াবহতা বোঝা যায়। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির হিসাবে, ২০২৫ সালে দেশে ৬ হাজার ৭২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ হাজার ১১১ জন নিহত এবং ১৪ হাজার ৮১২ জন আহত হয়েছেন। তাদের হিসাব