সোমবার, 14 সেপ্টেম্বর 2026
⚠ ব্রেকিং
জাতীয় 🇧🇩 বাংলা

এআইয়ের অগ্রগতির লাগাম না টানলে সবাই মারা যেতে পারি: অ্যানথ্রোপিকের সাবেক গবেষক

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login যুক্তরাষ্ট্র এআইয়ের অগ্রগতির লাগাম না টানলে সবাই মারা যেতে পারি: অ্যানথ্রোপিকের সাবেক গবেষক

শেয়ার করুন:
এআইয়ের অগ্রগতির লাগাম না টানলে সবাই মারা যেতে পারি: অ্যানথ্রোপিকের সাবেক গবেষক

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login যুক্তরাষ্ট্র এআইয়ের অগ্রগতির লাগাম না টানলে সবাই মারা যেতে পারি: অ্যানথ্রোপিকের সাবেক গবেষক বিবিসি ও রয়টার্স প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ১৬ এআই ছবি: রয়টার্স কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতি মানুষের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। এই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা কর্মীরা নিজেরাই এখন মানবজাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে মারাত্মক শঙ্কিত। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ শঙ্কার কথা জানিয়েছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করা শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ‘অ্যানথ্রোপিক’-এর সাবেক গবেষক জ্যাকব কক্সন।

অ্যানথ্রোপিক থেকে সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন জ্যাকব কক্সন। তিনি বলেন, এআই প্রযুক্তি যে অবিশ্বাস্য গতিতে এগিয়ে চলেছে, তা মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে গবেষকেরা নিজেরাই ভীষণ আতঙ্কিত। কক্সন সতর্ক করে বলেন, ‘আমরা যদি এখনই এই অগ্রগতির রাশ টেনে না ধরি, তাহলে এটার বড় সম্ভাবনা রয়েছে যে অদূর ভবিষ্যতে আমরা সবাই মারা যেতে পারি।’

চাকরি ছাড়ার পর এআইয়ের বিপদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কক্সনের একটি বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই তিনি বিবিসির সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন। ২৭ বছর বয়সী কক্সনের সাবেক প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিকের প্রধান দারিও আমোদেইও সম্প্রতি এআইয়ের অগ্রগতির গতি ধীর করার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্ট অনেকে তাঁর এই আহ্বানের পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। অবশ্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের প্রধান স্যাম অল্টম্যান এবং এক্সএআইয়ের প্রধান ইলন মাস্ক আমোদেইয়ের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন। তাঁরা পুরো শিল্পজুড়ে কাজের গতি কমানো, কঠোর নিয়মনীতি চালু এবং এআই মডেল ডেভেলমেন্টের ওপর স্বাধীন তদারকির পক্ষে মত দিয়েছেন।

শনিবার এক নিবন্ধে আমোদেই লিখেছেন, প্রযুক্তির উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন নেই। কিন্তু এর সঙ্গে যে ঝুঁকি রয়েছে, তা ‘গুরুতর’। এসব ঝুঁকি মোকাবিলা করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কিছুটা সময় দিতে হবে। অ্যানথ্রোপিকে যোগ দেওয়ার আগে ওপেনএআইয়ে কাজ করা কক্সন এআইয়ের অগ্রগতি ধীর করার এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তিনি মনে করেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা এড়াতে এ প্রক্রিয়ায় চীনকেও যুক্ত করতে হবে।

কক্সনের মতে, এআইয়ের কারণে মানবজাতির চরম বিপর্যয় বা ধ্বংস কেমন হতে পারে, তা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। তব

শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত সংবাদ