শনিবার, 12 সেপ্টেম্বর 2026
⚠ ব্রেকিং
জাতীয় 🇧🇩 বাংলা

ঘরোয়া দোকানে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন হাওরপারের অর্পনা

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login জেলা ঘরোয়া দোকানে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন হাওরপারের অর্পনা আকমল হোসেন মৌলভীবাজার প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম

শেয়ার করুন:
ঘরোয়া দোকানে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন হাওরপারের অর্পনা

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login জেলা ঘরোয়া দোকানে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন হাওরপারের অর্পনা আকমল হোসেন মৌলভীবাজার প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩: ৩০ নিজের দোকানে অর্পনা রানী সরকার। বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরপারের ইটা বড়বাড়ি গ্রামে ছবি: প্রথম আলো অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসায় দুটি গরু বিক্রি ও সঞ্চয়ের সব টাকা শেষ। অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসক তাঁকে কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে বলেন। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটি কাজ করতে না পারায় থমকে যায় সংসারের চাকা। দুই মেয়ের পড়াশোনাও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

এ অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন অর্পনা রানী সরকার (৪০)। একটি বেসরকারি সংস্থা থেকে ২০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ঘরের একপাশে ছোট্ট একটি দোকান দেন। চার বছর ধরে সেই দোকানের আয়েই চলছে তাঁর সংসার, চলছে দুই মেয়ের পড়াশোনা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজার সদরের একাটুনা ইউনিয়নের কাউয়াদীঘি হাওরপারের ইটা বড়বাড়ি গ্রামে অর্পনার বাড়িতে যান এই প্রতিবেদক। টিনের বসতঘরের একটি অংশজুড়ে তাঁর দোকান। সেখানে ঝুলছে চানাচুর, চিপস, বিস্কুটসহ নানা পণ্য। লবণ, মরিচ, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীও আছে। বসার কোনো ব্যবস্থা নেই। ক্রেতা এলে দাঁড়িয়েই পণ্য তুলে দেন তিনি।

একসঙ্গে অর্পনা রানী সরকারের ঘর ও দোকান। বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ইটা বড়বাড়ি গ্রামে। ছবি: প্রথম আলো অর্পনার স্বামী জিতেন্দ্র সরকার কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। তাঁর আয়েই সংসার চলত। হঠাৎ তাঁর পিত্তথলিতে পাথর ধরা পড়ে। অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। চিকিৎসার খরচ জোগাতে বাড়িতে থাকা দুটি গরু বিক্রি করেন অর্পনা। সঞ্চয়ের টাকাও শেষ হয়ে যায়। অস্ত্রোপচারের পর স্বামীকে কিছুদিন ভারী কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেন চিকিৎসক।

তখন সংসারের খরচ চালানোই কঠিন হয়ে পড়ে। দুই মেয়ের পড়াশোনা কীভাবে চলবে, তা নিয়েও চিন্তায় পড়েন অর্পনা। তিনি বলেন, ‘দেখলাম, অচল অই যাইমু। বাইচ্চাইনতোরে (দুই মেয়েকে) লেখাপড়া করাইতাম পারতাম নায়। তখনই দোকান দেওয়ার কথা মাথাত আইছে।’

দোকানের শুরুটা সহজ ছিল না। অর্পনা বলেন, ‘শুরুতে বুঝতাম না—ছয়–সাত মাস লস খাইছি (লোকসান দিয়েছি)। আস্তে আস্তে সব ঠিক অইছে। দোকান ভালাই চলের। এই দোকানের আয় দিয়াই এখন আমার সংসার চলের, মেয়েদের লেখাপড়া করারাম (করাচ্ছি)।’

দোকানে শুরুতে লবণ-মরিচ ও নিত্য

শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত সংবাদ