শুক্রবার, 11 সেপ্টেম্বর 2026
⚠ ব্রেকিং
জাতীয় 🇧🇩 বাংলা

আত্মহত্যাপ্রবণ ব্যক্তির প্রতি সহানুভূতি, তাঁর কথা শোনা ও সমর্থন দেওয়া অপরিহার্য

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login রাজধানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার আত্মহত্যাপ্রবণ ব্যক্তির প্রতি সহানুভূতি, তাঁর কথা শোনা

শেয়ার করুন:
আত্মহত্যাপ্রবণ ব্যক্তির প্রতি সহানুভূতি, তাঁর কথা শোনা ও সমর্থন দেওয়া অপরিহার্য

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login রাজধানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার আত্মহত্যাপ্রবণ ব্যক্তির প্রতি সহানুভূতি, তাঁর কথা শোনা ও সমর্থন দেওয়া অপরিহার্য প্রতিবেদক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০: ১৯ ‘চেইঞ্জিং দ্য ন্যারেটিভ অন সুইসাইড’ শীর্ষক এক সেমিনারে আলোচকেরা। মেটা: আত্মহত্যা প্রতিরোধে মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার অডিটোরিয়ামে, ১০ সেপ্টেম্বর ছবি: আয়োজকদের সৌজন্যে বিশ্বে প্রতিবছর সাত লাখের বেশি মানুষ আত্মহত্যা করেন। এর মধ্যে প্রায় ৭৭ শতাংশ আত্মহত্যা ঘটে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে তাঁরা আত্মহত্যামূলক আচরণকে জনস্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার অডিটোরিয়ামে ‘চেইঞ্জিং দ্য ন্যারেটিভ অন সুইসাইড’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ কথা উঠে আসে। আত্মহত্যা প্রতিরোধমূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ব্রাইটার টুমোরো ফাউন্ডেশন (বিটিএফ) এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে আলোচকেরা বলেন, পরিবারের কোনো সদস্য, বন্ধু, সহপাঠী বা সহকর্মীর মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বা লক্ষণ দেখা গেলে তাঁর প্রতি তাৎক্ষণিক সাড়া দেওয়া উচিত। এ সময় সহানুভূতি দেখানোর পাশাপাশি তাঁর অব্যক্ত কথাগুলো শুনে মানসিক যন্ত্রণা প্রশমনে সহায়তা করতে হবে। সমস্যার সমাধানের পথ বের করার পাশাপাশি কাউন্সেলিং ও মানসিক স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে আত্মহত্যা প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন জোরদার করার আহ্বান জানান তাঁরা। সেমিনারে প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য তুলে ধরে বলেন, প্রতিবছর বিশ্বে সাত লাখের বেশি মানুষ আত্মহত্যায় মারা যান। বিশ্বজুড়ে সংঘটিত আত্মহত্যার প্রায় ৭৭ শতাংশই নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ঘটে।

ডা. ফারজানা রহমান বলেন, সর্বোচ্চ মানের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া মানুষের অধিকার। আত্মহত্যামূলক আচরণকে জনস্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ

শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত সংবাদ