X (Twitter) Toggle navigation সর্বশেষ বাংলাদেশ জাতীয় রাজনীতি বিশেষ প্রতিবেদন দেশজুড়ে জেলার খবর অর্থনীতি আন্তর্জাতিক খেলাধুলা ক্রিকেট ফুটবল চাকরি টপ টেন ভিডিও বিনোদন হলিউড বলিউড ফিচার ফটো গ্যালারি লাইফস্টাইল তথ্যপ্রযুক্তি ভ্রমণ কৃষি ও প্রকৃতি জোকস একুশে বইমেলা অন্যান্য শিক্ষা ক্যাম্পাস স্বাস্থ্য আইন-আদালত ধর্ম ইসলাম অন্যান্য ধর্ম প্রবাস গণমাধ্যম নারী ও শিশু বাণিজ্য মেলা সাহিত্য জাগো জবস মতামত সোশ্যাল মিডিয়া পডকাস্ট আর্কাইভ বিবিধ ইউনিকোড কনভার্টার ENG দেশজুড়ে ৭০০ বছরের প্রেমের স্মৃতিবিজড়িত চণ্ডীদাস-রজকিনীর ঘাট জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মাগুরা প্রকাশিত: ১২:১৪ পিএম, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ X (Twitter) X শত শত বছর ধরে কোনো এক জনপদ যে প্রেমের স্মৃতি, লোককথা ও লোক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে টিকে আছে, চণ্ডীদাস-রজকিনীর কাহিনি তারই একটি উদাহরণ। মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালী ইউনিয়নের ধোপাখালী গ্রামের স্থানীয় জনশ্রুতি ও লোক ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাদের প্রায় সাতশ বছরের পুরোনো প্রেমকাহিনি।
স্থানীয়দের দাবি, চণ্ডীদাস-রজকিনীর স্মৃতিবিজড়িত কথিত ঘাট ও আশপাশের স্থান দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে রয়েছে। সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে নদীর গতিপথ, হারিয়েছে পুরোনো ঘাটের চেহারা। তাদের দাবি, ইতিহাস ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব যাচাই করে স্থানটি সংরক্ষণ করা হোক এবং সেখানে গড়ে তোলা হোক দৃষ্টিনন্দন ঘাট, স্মৃতিফলক ও পর্যটনকেন্দ্র। মাগুরা জেলা শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে শালিখা উপজেলার ধোপাখালী গ্রাম। স্থানীয়দের কাছে এলাকাটি চণ্ডীদাস-রজকিনী ঘাট ও ‘দুয়া' নামে পরিচিত। তাদের ভাষ্য, এই স্থানকে ঘিরেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে প্রচলিত রয়েছে চণ্ডীদাস ও রজকিনীর প্রেমের কাহিনি।
জনশ্রুতি অনুযায়ী, ঘটনাটি ১৪ শতকের শেষভাগের। চণ্ডীদাস ছিলেন ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তান এবং রজকিনী ছিলেন ধোপা পরিবারের মেয়ে। সামাজিক ও জাতপাতের ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও রজকিনীর প্রতি আকৃষ্ট হন চণ্ডীদাস।
প্রচলিত লোককাহিনি অনুযায়ী, দুই পরিবারের বাড়ির মাঝ দিয়ে তখন একটি নদী প্রবাহিত ছিল। রজকিনী নদীর ঘাটে কাপড় ধুতে এলে তাকে দেখার জন্য চণ্ডীদাস মাছ ধরার অজুহাতে নদীর অপর পাড়ে বসে থাকতেন। এভাবে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কেটে যায়।
লোকমুখে প্রচলিত আছে, প্রায় ১২ বছর ধরে এভাবেই রজকিনীর অপেক্ষায় ছিলেন চণ্ডীদাস। দীর্ঘ অপেক্ষার তাদের মধ্যে কথোপকথন শুরু হয় এবং গ