বুধবার, 9 সেপ্টেম্বর 2026
⚠ ব্রেকিং
জাতীয় 🇧🇩 বাংলা

বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো নারীর স্বামীকে ২ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ আসাম আদালতের

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login বাংলাদেশ বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো নারীর স্বামীকে ২ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ আসাম আদাল

শেয়ার করুন:
বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো নারীর স্বামীকে ২ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ আসাম আদালতের

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login বাংলাদেশ বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো নারীর স্বামীকে ২ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ আসাম আদালতের তথ্যসূত্র: দ্য হিন্দু প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯: ১৪ বাংলাদেশ–ভারত সীমান্ত ফাইল ছবি আপিল করার সুযোগ না দিয়েই এক নারীকে ‘বিদেশি’ ঘোষণা করে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠিয়ে দেওয়ার ঘটনায় আসাম সরকারকে দুই লাখ রুপি অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের একটি আদালত। একই সঙ্গে বাংলাদেশে ওই নারীকে খুঁজে বের করে তাঁকে ভারতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

৩ সেপ্টেম্বর গুয়াহাটি হাইকোর্টের বিচারপতি কল্যাণ রাই সুরানা ও বিচারপতি সুস্মিতা ফুকন খান্ডের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন।

আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, নির্বাসনসংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘন করে কাউকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠিয়ে দেওয়ার ঘটনায় রাষ্ট্রের ওপর ক্ষতিপূরণ আরোপের এটাই প্রথম ঘটনা।

ওই নারীর নাম মমতাজ বেগম। তাঁর স্বামী মুজাম্মেল হকের করা হেবিয়াস করপাস (অবৈধভাবে আটকে রাখার বিরুদ্ধে) আবেদনের শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, আসামের মধ্যাঞ্চলীয় নগাঁওয়ের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল গত ৩০ মে মমতাজ বেগমকে বিদেশি ঘোষণা করে। ট্রাইব্যুনালের এই পদক্ষেপে স্পষ্ট ‘আইনি বিদ্বেষ’ প্রকাশ পেয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আদালত। সন্দেহভাজন কোনো ব্যক্তি বৈধ নাগরিক, নাকি বিদেশি, তা নির্ধারণ করার জন্য মূলত এই আধা বিচার বিভাগীয় সংস্থা বা ট্রাইব্যুনাল কাজ করে।

এর আগে তাঁর মামলা পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। কারণ, মমতাজের জমা দেওয়া সব প্রমাণ ট্রাইব্যুনাল বিবেচনায় নেয়নি বলে আদালত মনে করেছিলেন। পুনর্বিবেচনার পর ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে গত ৩০ মে নিজেকে ‘বিদেশি’ ঘোষণার আদেশ পান মমতাজ বেগম; কিন্তু ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার সুযোগ পাওয়ার আগেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিভিশন বেঞ্চ উল্লেখ করেছেন, গ্রেপ্তারের সময় ও পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাইব্যুনাল সদস্য ও পুলিশের দেওয়া তথ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারকেরা।

আদালত বলেন, মমতাজ বেগমের ক্ষেত্রে অনুসরণ করা প্রক্রিয়া ঘোষিত বিদেশি নাগরিকদের বহিষ্কারসংক্রান্ত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরের (এসওপি) ‘সরাসরি লঙ

শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত সংবাদ