Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login কলাম বিশ্ব শিক্ষক দিবস শিক্ষক নিয়োগে কেন ‘শিক্ষা সার্ভিস কমিশন’ গঠন করা দরকার মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০০: ০০ শিক্ষকই মানুষকে শিক্ষিত ও দক্ষ মানবশক্তিতে রূপান্তরিত করে দেশ ও জাতি গঠনে গুরুদায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষার্থীকে সুনীতিমান, সুরুচিসম্পন্ন, সুশীল ও জ্ঞানবান করে গড়ে তোলেন শিক্ষক। আদর্শ শিক্ষকের সংস্পর্শে শিক্ষার্থীর চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশ ঘটে; সে হয়ে ওঠে বিনয়ী, কল্যাণমুখী, সৃষ্টিশীল ও উত্তম হৃদয়ের মানুষ।
সৃষ্টির উষালগ্ন থেকে মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রায় তাই শিক্ষক সমাজে অপরিহার্য। জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও ইউনেসকোর বিভিন্ন পর্যায়ে শিক্ষকের গুরুত্ব, অধিকার, মর্যাদা ও দায়িত্বের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯৪ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেসকোর ২৬তম অধিবেশনে তৎকালীন মহাপরিচালক ফ্রেডারিক এম মেয়র ৫ অক্টোবরকে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ ঘোষণা করেন।
এ দিবসের আবেদন গভীর। সারা বিশ্বে আনন্দ-উৎসবের পাশাপাশি আলোচনা, সংলাপ ও সমালোচনামূলক সভার মাধ্যমে শিক্ষকদের পেশাগত সাফল্য ও ব্যর্থতার মূল্যায়ন করা হয়। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণেরও সুযোগ তৈরি হয় এ দিনে।
শিক্ষকতা কেবল চাকরি নয়; এটি একটি মহান পেশা ও ব্রত। যুগে যুগে আদর্শ শিক্ষক জ্ঞানের দীপশিখা জ্বালিয়েছেন, উজাড় করে বিলিয়ে দিয়েছেন নিজের জ্ঞানভান্ডার। বিনিময়ে কী পেয়েছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন না করে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার মহৎ চেতনায় তাঁরা দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়ী, পরিশ্রমী, অনুসন্ধানী ও জ্ঞানপিপাসু হিসেবে গড়ে তোলাই শিক্ষকের অন্যতম দায়িত্ব।
আদর্শবান শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে এমন সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পাঠদান করবেন, যাতে শিক্ষার্থীর আলাদা করে গৃহশিক্ষক বা কোচিংয়ের প্রয়োজন না হয়। শিক্ষকের নিজের আচরণও হতে হবে তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। তবে শিক্ষকের কাছ থেকে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা করলেই হবে না, এ জন্য প্রয়োজন সহায়ক পরিবেশ ও শিক্ষার অনুকূল পরিস্থিতি। একই সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে শিক্ষকদের প্রাপ্য অধিকার ও মর্যাদা।
স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী অতিক্রান্ত হলেও আমাদের দেশে এখনো ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলের অসংগতিপূর্ণ সরকারি ও বেসরকার