শুক্রবার, 2 অক্টোবর 2026
⚠ ব্রেকিং
জাতীয় 🇧🇩 বাংলা

ক্যানসার জয় করে অস্ট্রেলিয়া দলে ফিরলেন ম্যাডিনসন

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login ক্রিকেট ক্যানসার জয় করে অস্ট্রেলিয়া দলে ফিরলেন ম্যাডিনসন খেলা ডেস্ক প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬

শেয়ার করুন:
ক্যানসার জয় করে অস্ট্রেলিয়া দলে ফিরলেন ম্যাডিনসন

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login ক্রিকেট ক্যানসার জয় করে অস্ট্রেলিয়া দলে ফিরলেন ম্যাডিনসন খেলা ডেস্ক প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫: ০১ নিক ম্যাডিনসন এএফপি নিক ম্যাডিনসন যেন অনুপ্রেরণার আরেক নাম!

ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করেছেন নিক ম্যাডিনসন। কেমোথেরাপি তাঁর ক্রিকেট–জীবনকে এলোমেলো করেছে। চোট এবং মানসিক লড়াইও তাতে কম ভূমিকা রাখেনি।

একটা সময় তো তাঁর মাঠে ফেরাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে সবকিছু পেছনে ফেলে সেই ম্যাডিনসন আবার অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে ফিরেছেন। গতকাল ঘোষিত অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের টেস্ট স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন এই ওপেনার।

গত বছরের মাঝামাঝিতে ম্যাডিনসনের টেস্টিকুলার ক্যানসার ধরা পড়ে। অস্ত্রোপচার করেও বিপদ কাটেনি। ক্যানসার ছড়িয়ে পড়েছিল। শুরু হয় কেমোথেরাপি। তখন তাঁর স্ত্রী বিয়াঙ্কা ছিলেন দ্বিতীয় সন্তানের অপেক্ষায়। পরিবার সামলাতে চাকরি ছেড়ে দেন বিয়াঙ্কা। ঘরে ছিল একটি অল্প বয়সী সন্তানও। চিকিৎসার জন্য নিয়মিত হাসপাতালে যেতে হতো ম্যাডিনসনকে।

চিকিৎসার ধকল কতটা কঠিন ছিল, তা ম্যাডিনসনের কথাতেই পরিষ্কার, ‘দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যেই আমার সব চুল পড়ে গিয়েছিল। শরীরটা খুব খারাপ লাগত।’

কেমোথেরাপির পাশাপাশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সামলাতে স্টেরয়েডও নিতে হতো ম্যাডিনসনকে। তাতে রাতের ঘুম নষ্ট হয়ে যেত। বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত হাসপাতালে সময় কাটত ম্যাডিনসনের। এরপর ঘুম। রাতে খাবার খেয়ে আবার ঘুম। মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে জেগে থাকতে হতো সকাল পর্যন্ত। ম্যাডিনসনের ভাষায়, ‘হাসপাতাল থেকে ফিরে ঘুমাতাম। তারপর জোর করে রাতের খাবার খেতাম। রাত একটা পর্যন্ত ঘুমাতাম। কিন্তু কখনো কখনো তখন ঘুম ভেঙে যেত এবং সকাল ছয়টা পর্যন্ত আর ঘুম আসত না।’

ম্যাডিনসনের শরীর তখন এতটাই ভেঙে পড়েছিল যে ক্রিকেট তো দূরের কথা, স্বাভাবিক জীবন যাপন করাও তাঁর জন্য কঠিন হয়ে উঠেছিল। ম্যাডিনসন বলেন, ‘সময়টা আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। ভীষণ ক্লান্ত থাকতাম। মনে হতো ২৪ ঘণ্টাই ঘুমাতে হবে। সবচেয়ে খারাপ লাগত, বাড়ির কোনো কাজই করতে পারতাম না। এ জন্য নিজের মধ্যে অপরাধবোধ কাজ করত।’

সর্বশেষ কেমোথেরাপির মাত্র ১০ দিন পর আবার নেটে ব্যাট হাতে ফেরেন। পেশাদার ক্রিকেটে ম্যাডিনসন ফেরেন সর্বশেষ বিগ ব্যাশে। সেই সময়ও অবশ্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ে খুব বেশি ভাবেননি। ৩৪ বছর বয়স

শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত সংবাদ