সোমবার, 28 সেপ্টেম্বর 2026
⚠ ব্রেকিং
জাতীয় 🇧🇩 বাংলা

হাতির চলাচলে সীমান্তের বেড়া খুলতে ভারতকে অনুরোধ করবে সরকার

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login রাজধানী হাতির চলাচলে সীমান্তের বেড়া খুলতে ভারতকে অনুরোধ করবে সরকার নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা প্

শেয়ার করুন:
হাতির চলাচলে সীমান্তের বেড়া খুলতে ভারতকে অনুরোধ করবে সরকার

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login রাজধানী হাতির চলাচলে সীমান্তের বেড়া খুলতে ভারতকে অনুরোধ করবে সরকার নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬: ৩৪ ‘হাতির সুরক্ষা: বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। আগারগাঁও, ঢাকা। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ছবি: প্রথম আলো শেরপুর সীমান্তে ভারতের দেওয়া কাঁটাতারের বেড়ায় বাংলাদেশ অংশে আটকে পড়া হাতিগুলোকে অবাধ চলাচলের সুযোগ করে দিতে বেড়ার কয়েকটি পয়েন্ট খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানাবে সরকার। আজ শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে হাতির সুরক্ষা নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), প্রকৃতি সংরক্ষণের আন্তর্জাতিক জোট (আইইউসিএন) বাংলাদেশ, ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন অ্যালায়েন্স এবং ডিপ ইকোলজি অ্যান্ড স্নেক কনজারভেশন ফাউন্ডেশন যৌথভাবে ‘হাতির সুরক্ষা: বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী এগুলো নিয়ে আমার চিন্তার শেষ নাই। পৃথিবী থেকে বহু প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আজকের বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে প্রশ্ন হচ্ছে আমরা আর কত প্রজাতি বিলুপ্ত হতে দিতে পারি। মানুষ প্রকৃতির একটি অংশ হিসেবে বসবাস করতে চাইলে আমরা বন্যপ্রাণীর বিলুপ্তি হতে দিতে পারি না।’

২০০৭ সালে শেরপুর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ায় বাংলাদেশ অংশে গারো পাহাড়ে প্রায় ১০০টির মতো হাতি আটকা পড়ে আছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে হাতি নিয়ে আমাদের সমঝোতা স্মারক আছে। আমরা চেষ্টা করব শেরপুর সীমান্তে হাতির করিডোরে ভারতের দেওয়া ৫৪ কিলোমিটারে যে কাঁটাতারের বেড়া, সেখানে ৫ থেকে ৬টি পয়েন্ট যেন খুলে দেওয়া হয়; যাতে হাতি অবাধে চলাচল করতে পারে।’ এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে পরবর্তী সভায় প্রস্তাব তোলা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ রেজা খান বলেন, শুধু গাছপালা লাগিয়ে হাতির আবাসস্থল টিকিয়ে রাখা যাবে না; বনের কার্যকর প্রতিবেশব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া হাতিদের বনে ফেরানোর (রি–ওয়াইল্ডিং) ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

প্রকৃতি সংরক

শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত সংবাদ