Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login ইসলাম সুন্নত হাঁচির দোয়া পাঠে নবীজির শেখানো ৭ আদব নাহিদা সুলতানা প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ৩০ হাঁচির সময় নিজের হাত অথবা পরিধেয় কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে রাখা এবং হাঁচির শব্দ নিচু ও সংযত রাখা নবীজির শেখানো আদব ছবি: পেক্সেলস হাঁচি মানবদেহের একটি স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত শারীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়া। চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে হাঁচির মাধ্যমে শ্বাসনালির ক্ষতিকর ধূলিকণা ও জীবাণু দ্রুত বাইরে নিষ্ক্রান্ত হয়, যা মানবদেহের জন্য এক বিরাট স্বস্তির বিষয়।
হাঁচি অনিচ্ছাকৃতভাবে এলেও তার প্রকাশভঙ্গিকে শালীন ও নিয়ন্ত্রিত রাখা ইসলামের সুন্নত। হাঁচির সময় মুখ খোলা রাখলে জীবাণু ও লালার কণা অন্যের গায়ে ছিটকে পড়তে পারে এবং বিকট শব্দ আশপাশের মানুষের অস্বস্তির কারণ হতে পারে।
নবীজি (সা.) যখন হাঁচি দিতেন, তখন তিনি নিজের হাত অথবা পরিধেয় কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে নিতেন এবং হাঁচির শব্দ নিচু ও সংযত রাখতেন।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৭৪৫)
ইসলামে হাঁচিকে আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ ও ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে; বিপরীতে অলসতাপ্রসূত হাই তোলাকে শয়তানের প্রভাব বলে সতর্ক করা হয়েছে। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬২২৩)
হাঁচির পরে নবীজি দোয়া পাঠ করতেন এবং কেউ দোয়া বললে তার উত্তরেও তিনি বলতেন। সাহাবিদের এই দোয়া পড়ার কয়েকটি আদব তিনি শিখিয়েছেন। আলোচনা করা হলো।
হাঁচি আসার প্রক্রিয়াটি মানুষের ইচ্ছাধীন নয়, কিন্তু হাঁচির পর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা সম্পূর্ণ মানুষের ইচ্ছাধীন আমল।
রাসুল (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন, ‘তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেয়, সে যেন বলে, আলহামদুলিল্লাহ (সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য)।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬২২৪)
হাঁচি দেওয়ার মাধ্যমে মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র যে ক্ষতিকর চাপমুক্ত হয় এবং ফুসফুস স্বস্তি পায়, মুমিন সেই পার্থিব নিয়ামতের তাৎক্ষণিক শুকরিয়াস্বরূপ ‘আলহামদুলিল্লাহ’ উচ্চারণ করে নিজের এই অজান্তিক ক্রিয়াটিকেও এক অনন্য ইবাদতে রূপান্তর করে।
হাঁচিদাতা ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বললে তা শুনে উপস্থিত ভাই বা সঙ্গীর ওপর তার জবাব দেওয়া ওয়াজিব বা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। হাদিস শরিফে বলা হয়েছে, ‘অতঃপর তার ভাই বা সঙ্গী যেন তার জবাবে বলে, ইয়ারহামুকাল্লাহ (আল্লাহ তোমার ওপর রহম করুন)।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: