বুধবার, 16 সেপ্টেম্বর 2026
⚠ ব্রেকিং
জাতীয় 🇧🇩 বাংলা

মহাকাশের নিখোঁজ নক্ষত্রের রহস্য উন্মোচন, ২৫ বছর পর মিলল হাইড্রোজেনহীন অদ্ভুত বিস্ফোরণের উত্তর

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ Login পদার্থবিজ্ঞান প্রযুক্তি গণিত মহাকাশ জীববিজ্ঞান কার্যকারণ বিজ্ঞান কল্পগল্প কমিকস বিজ্ঞানরম্য সাক্ষাৎকার মহাকাশ মহাকাশের নিখোঁজ নক্ষত্রের রহস্য উন্মোচন, ২৫ বছর পর মিলল হ

শেয়ার করুন:
মহাকাশের নিখোঁজ নক্ষত্রের রহস্য উন্মোচন, ২৫ বছর পর মিলল হাইড্রোজেনহীন অদ্ভুত বিস্ফোরণের উত্তর

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ Login পদার্থবিজ্ঞান প্রযুক্তি গণিত মহাকাশ জীববিজ্ঞান কার্যকারণ বিজ্ঞান কল্পগল্প কমিকস বিজ্ঞানরম্য সাক্ষাৎকার মহাকাশ মহাকাশের নিখোঁজ নক্ষত্রের রহস্য উন্মোচন, ২৫ বছর পর মিলল হাইড্রোজেনহীন অদ্ভুত বিস্ফোরণের উত্তর মহাকাশে এমন একটি অদ্ভুত নক্ষত্রের বিস্ফোরণ ঘটেছিল, যার কোনো হাইড্রোজেন বা সাধারণ জ্বালানি ছিল না! এই বিস্ফোরণের পর নক্ষত্রটি বিশাল ধূলিমেঘের আড়ালে টানা ২৫ বছর নিজেকে লুকিয়ে রাখে। সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপগুলোর সাহায্যে বিজ্ঞানীরা এই নক্ষত্রের ভেতরের আসল অপরাধীকে খুঁজে পেয়েছেন।

শিল্পীর কল্পনায় ভি৪৪৫ পাপিস নক্ষত্রের ছবি ছবি: নাসা খুনের পর অপরাধী যদি প্রমাণ লোপাট করতে পুরো ক্রাইম সিন সিকি শতাব্দীর জন্য লুকিয়ে ফেলে, তবে গোয়েন্দারা কী করবেন? মহাকাশের বুকে ঠিক এমন এক নিখুঁত ক্রাইম থ্রিলারের জন্ম দিয়েছিল ‘ভি৪৪৫ পাপিস’ নামে একটি নক্ষত্র। ২০০০ সালের শেষের দিকে এটি হঠাৎ প্রচণ্ড বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে এবং মহাকাশবিজ্ঞানীদের কাছে নিজের অস্তিত্বের জানান দেয়। বিজ্ঞানের ভাষায় এ ধরনের বিস্ফোরণকে বলা হয় নোভা। কিন্তু এই নোভাটি বিজ্ঞানীদের রীতিমতো ঘোল খাইয়ে ছেড়েছিল। কারণ, মহাকাশে সাধারণ যেকোনো নোভার প্রধান জ্বালানি হাইড্রোজেন। অথচ এই বিশাল বিস্ফোরণে হাইড্রোজেনের টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যায়নি!

ব্যাপারটা একটু খোলসা করে বলা যাক। সূর্যের মতো কোনো নক্ষত্রের যখন মৃত্যু ঘটে, তখন তার ফেলে যাওয়া উত্তপ্ত ও অতি-ঘন অবশিষ্টাংশকে বলা হয় শ্বেত বামন। এই শ্বেত বামনরা মহাকাশে সাধারণত একা থাকে না, এদের পাশে অনেক সময়ই একটি সঙ্গী নক্ষত্র থাকে। শ্বেত বামনটি তার প্রবল মহাকর্ষীয় টানে ওই সঙ্গী নক্ষত্র থেকে ধীরে ধীরে গ্যাস—মূলত হাইড্রোজেন—চুরি করতে থাকে। চুরি করা এই হাইড্রোজেন শ্বেত বামনের পৃষ্ঠে জমতে জমতে একসময় চাপ ও তাপ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছায় যে, সেখানে আর ফিরে আসার কোনো পথ থাকে না। এরপরই ঘটে এক ভয়ংকর থার্মোনিউক্লিয়ার বিস্ফোরণ। এটিই হলো সাধারণ নোভা। ধার করা হাইড্রোজেনের সাহায্যে ঘটা এই বিস্ফোরণ মহাকাশে হরহামেশাই দেখা যায়।

সূর্যের মতো কোনো নক্ষত্রের যখন মৃত্যু ঘটে, তখন তার ফেলে যাওয়া উত্তপ্ত ও অতি-ঘন অবশিষ্টাংশকে বলা হয় শ্বেত বামন। এই শ্বেত বামনরা মহাকাশে সাধারণত একা থাকে না। কিন্তু আমাদের ‘ভি৪৪৫ পাপিস’ ছিল একেবারেই আলাদা ও বিদ্রোহী। এটি মহাকাশের এমন এক অদ্ভুত নোভা, য

শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত সংবাদ