X (Twitter) Toggle navigation সর্বশেষ বাংলাদেশ জাতীয় রাজনীতি বিশেষ প্রতিবেদন দেশজুড়ে জেলার খবর অর্থনীতি আন্তর্জাতিক খেলাধুলা ক্রিকেট ফুটবল চাকরি টপ টেন ভিডিও বিনোদন হলিউড বলিউড ফিচার ফটো গ্যালারি লাইফস্টাইল তথ্যপ্রযুক্তি ভ্রমণ কৃষি ও প্রকৃতি জোকস একুশে বইমেলা অন্যান্য শিক্ষা ক্যাম্পাস স্বাস্থ্য আইন-আদালত ধর্ম ইসলাম অন্যান্য ধর্ম প্রবাস গণমাধ্যম নারী ও শিশু বাণিজ্য মেলা সাহিত্য জাগো জবস মতামত সোশ্যাল মিডিয়া পডকাস্ট আর্কাইভ বিবিধ ইউনিকোড কনভার্টার ENG মতামত সেপসিস: সাধারণ সংক্রমণ যখন হয়ে ওঠে জীবনসংকট ডা. বিএম আতিকুজ্জামান ডা. বিএম আতিকুজ্জামান প্রকাশিত: ১২:১৭ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ X (Twitter) X একজন প্রবীণ রোগীর কয়েক দিন ধরে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া ও সামান্য জ্বর ছিল। পরিবারের সবাই ভেবেছিলেন, এটি সাধারণ প্রস্রাবের সংক্রমণ—ওষুধ খেলেই ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু এক রাতে তিনি হঠাৎ এলোমেলো কথা বলতে শুরু করলেন। শ্বাস দ্রুত হয়ে গেল, শরীর ঠান্ডা ও ঘামযুক্ত মনে হলো। হাসপাতালে নেওয়ার পর জানা গেল, তিনি সেপসিসে আক্রান্ত হয়েছেন।
এ ধরনের ঘটনা বিরল নয়। সংক্রমণকে আমরা অনেক সময় ছোট সমস্যা হিসেবে দেখি। কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে সেই সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিক্রিয়াই এত তীব্র ও অনিয়ন্ত্রিত হয়ে ওঠে যে শরীর নিজের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি করতে শুরু করে। এই জীবনসংকটপূর্ণ অবস্থার নাম সেপসিস।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ৪ কোটি ৯০ লাখ মানুষ সেপসিসে আক্রান্ত হন এবং প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ মানুষের মৃত্যু এর সঙ্গে সম্পর্কিত। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে এর বোঝা বেশি। অথচ দ্রুত লক্ষণ শনাক্ত করে জরুরি চিকিৎসা শুরু করা গেলে অনেক জীবন রক্ষা করা সম্ভব।
অনেকে সেপসিসকে "রক্তে জীবাণু" বা "রক্তে বিষক্রিয়া" বলে থাকেন। কিন্তু বিষয়টি আরও বিস্তৃত। সেপসিসে জীবাণুর পাশাপাশি সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রতিক্রিয়ায় রক্তচাপ কমে যেতে পারে এবং মস্তিষ্ক, হৃদ্যন্ত্র, ফুসফুস, কিডনি ও লিভারের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যক্ষমতা নষ্ট হতে পারে।
নিউমোনিয়া, প্রস্রাবের সংক্রমণ, পেটের ভেতরের সংক্রমণ, পিত্তনালির সংক্রমণ, ত্বক বা ক্ষতের সংক্রমণ—এসব থেকে সেপসিস হতে পারে। অস্ত্রোপচার বা হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পরও কখনো গুরুতর