বৃহস্পতিবার, 10 সেপ্টেম্বর 2026
⚠ ব্রেকিং
জাতীয় 🇧🇩 বাংলা

কাটিমন ছড়িয়েছে ফুটপাত থেকে অভিজাত দোকানে , মন কাড়ছে কি

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login বাংলাদেশ কাটিমন ছড়িয়েছে ফুটপাত থেকে অভিজাত দোকানে, মন কাড়ছে কি আশীষ উর রহমান ঢাকা আপডেট: ১০

শেয়ার করুন:
কাটিমন ছড়িয়েছে ফুটপাত থেকে অভিজাত দোকানে , মন কাড়ছে কি

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login বাংলাদেশ কাটিমন ছড়িয়েছে ফুটপাত থেকে অভিজাত দোকানে, মন কাড়ছে কি আশীষ উর রহমান ঢাকা আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪: ৫১ কাটিমন আম ছবি: খালেদ সরকার আম পাকে বৈশাখে—এ ধারণা বদলে দিয়েছে কাটিমন। বৈশাখ পেরিয়ে ভাদ্রও শেষের পথে, তবু বাজারে পাকা কাটিমনের সরবরাহ আছে; আশ্বিনেও থাকবে। বছর দুয়েকের মধ্যে সারা বছরই দেশের বাজারে পাকা কাটিমন পাওয়া যেতে পারে। বিলম্বিত জাতের আম হিসেবে এরই মধ্যে এটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছে। ঢাকার ফুটপাত থেকে অভিজাত এলাকার ফলের দোকান—সবখানেই এখন কাটিমন পাওয়া যাচ্ছে। অসময়ের আম বলে দাম কিছুটা বেশি, তবে নাগালের বাইরে নয়। আকার ও মানভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ২৮০ টাকায়।

রাজধানী থেকে দেশের প্রান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া সুদর্শন ও মোটামুটি সুস্বাদু এই আম দ্রুত বাজার দখল করছে। অচিরেই কাটিমন দেশের সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত আম হয়ে উঠতে পারে—এমন সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে।

জুলিয়াস সিজার পন্টাস রাজ্য জয় করে বলেছিলেন, ‘ভিনি, ভিডি, ভিসি’—এলাম, দেখলাম, জয় করলাম। আক্ষরিকভাবে না হলেও দেশের আমের বাজারে কাটিমনের আগমনের প্রভাব অনেকটা তেমন। রূপে ক্রেতার মন, স্বাদে রসনা এবং শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বাজার—সবই জয় করেছে কাটিমন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন প্রায় এক লাখ মেট্রিক টন কাটিমন উৎপাদিত হয়, যা মোট আম উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশ।

আমের বার্ষিক উৎপাদনে তারতম্য থাকে। বেশি ফলনের বছরকে বলা হয় ‘অন সিজন’; পরের ‘অফ সিজনে’ ফলন প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন কমে যায়। মোটাদাগে দেশে বছরে প্রায় ২৬ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদিত হয়। শীর্ষে থাকা আম্রপালির ফলন সাড়ে ছয় থেকে সাত লাখ মেট্রিক টন, অংশীদারত্ব ৩৫ শতাংশ। এরপর হিমসাগর ১৫ শতাংশ, বারি ১০ শতাংশ, হাঁড়িভাঙা ৭ শতাংশ, গোবিন্দভোগ ও কাটিমন ৫ শতাংশ করে, ল্যাংড়া সাড়ে ৪ শতাংশ ও গোপালভোগ ২ শতাংশ। এই মোট সাড়ে ৮৭ শতাংশ; বাকিটা অন্যান্য জাতের।

এই হিসাব শিগগিরই বদলে যেতে পারে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শক (হর্টিকালচার) কৃষিবিজ্ঞানী মো. মেহেদী মাসুদের ভাষ্য, কাটিমনের উৎপাদন প্রতিবছর প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে। বাংলাদেশে কাটিমনের বাণিজ্যিক চাষের প্রচলনকারী হিসেবে পরিচিত মেহেদী মাসুদ এখন টিস্যু কালচার ল্যাবরেটরি কাম হর্টিকালচার সেন্টা

শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত সংবাদ