বুধবার, 9 সেপ্টেম্বর 2026
⚠ ব্রেকিং
জাতীয় 🇧🇩 বাংলা
🌐 এই সংবাদটি English এও পাওয়া যাচ্ছে 🇬🇧 Read in English

ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বিচারিক সংবেদনশীলতার ঘাটতি রয়েছে: হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বিচারিক সংবেদনশীলতার ঘাটতি রয়েছে: হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্

শেয়ার করুন:
ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বিচারিক সংবেদনশীলতার ঘাটতি রয়েছে: হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বিচারিক সংবেদনশীলতার ঘাটতি রয়েছে: হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ৪৪ হাইকোর্ট ভবন ফাইল ছবি ফেনীর সোনাগাজীতে সাত বছর আগে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান হত্যা মামলায় ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে রায় দিয়েছিলেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ। এ ধরনের অবিবেচনাপ্রসূত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন সাজা কোনো সভ্য সমাজে প্রত্যাশিত নয় এবং ওই বিচারকের বিচারিক সংবেদনশীলতার ঘাটতি রয়েছে বলে পূর্ণাঙ্গ রায়ে উল্লেখ করেছেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের ১১২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। এরপর আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন), আপিল ও জেল আপিলের ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২৪ আগস্ট রায় দেন। রায়ে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ উদদৌলা ও শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসেন শামীমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। ট্রাইব্যুনালের রায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ১৬ আসামির মধ্যে ৪ আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অপর ১০ জনকে খালাস দেওয়া হয়।

পূর্ণাঙ্গ রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, রায় সমাপ্ত করার আগে আমরা এখানে একটি সতর্কতামূলক মন্তব্য করতে চাই। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোহাম্মদ শামীম, রুহুল আমিন, মাকসুদ আলম কাউন্সিলর ও আবছার উদ্দিনের বিরুদ্ধে ন্যূনতম প্রমাণও পাইনি। অথচ তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অবিবেচনাপ্রসূত সাজা প্রদানের কারণে তারা সাত বছরের বেশি সময় ধরে নির্জন কনডেমড সেলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ১৬ দণ্ডিতের মধ্যে এ মামলায় এখন পর্যন্ত মাত্র দুজনের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার মতো যথেষ্ট ভিত্তি পাওয়া গেছে। এ ধরনের ভুল মূল্যায়নের ভিত্তিতে দেওয়া রায় (ট্রাইব্যুনালের রায়) দুর্ভাগা ব্যক্তিদের পরিবারগুলোকে বিপর্যয়ের সম্মুখীন করেছে। এমন বিবেকহীন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন সাজা কোনো সভ্য সমাজে প্রত্যাশিত নয়

শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত সংবাদ