X (Twitter) Toggle navigation সর্বশেষ বাংলাদেশ জাতীয় রাজনীতি বিশেষ প্রতিবেদন দেশজুড়ে জেলার খবর অর্থনীতি আন্তর্জাতিক খেলাধুলা ক্রিকেট ফুটবল চাকরি টপ টেন ভিডিও বিনোদন হলিউড বলিউড ফিচার ফটো গ্যালারি লাইফস্টাইল তথ্যপ্রযুক্তি ভ্রমণ কৃষি ও প্রকৃতি জোকস একুশে বইমেলা অন্যান্য শিক্ষা ক্যাম্পাস স্বাস্থ্য আইন-আদালত ধর্ম ইসলাম অন্যান্য ধর্ম প্রবাস গণমাধ্যম নারী ও শিশু বাণিজ্য মেলা সাহিত্য জাগো জবস মতামত সোশ্যাল মিডিয়া পডকাস্ট আর্কাইভ বিবিধ ইউনিকোড কনভার্টার ENG দেশজুড়ে আওয়ামী লীগের ‘বালু সাত্তার’ এখন বিএনপির দোসর আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ আল নোমান , জেলা প্রতিনিধি টাঙ্গাইল প্রকাশিত: ১১:৫৯ এএম, ২৪ আগস্ট ২০২৬ X (Twitter) X ছবি: আব্দুস সাত্তার টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে মোটা বালুর ব্যবসার অন্তরালে অবৈধভাবে ড্রেজিং, চর কেটে এবং স্তূপ করে রাখা বালু অবৈধভাবে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। এতে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রশাসনের ছত্রছায়ায় এ বালু বিক্রির মহোৎসব চলছে। উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করলেও অদৃশ্য শক্তির বলে একদিন পার হতেই আবার চালু হয় এসব বালুমহাল। বালুমহাল নিয়ে তিন পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে জাগো নিউজ। আজ রয়েছে এর শেষ পর্ব।
নাম আব্দুস সাত্তার। তবে তিনি বালু মহালের জগতে ‘বালু সাত্তার' বা ‘সাত্তার কমিশনার' হিসেবে পরিচিত। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ১০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন এই আব্দুস ছাত্তার। সে সুবাদে টাঙ্গাইল এবং সিরাজগঞ্জে তিনি গড়ে তোলেন কোটি কোটি টাকার বিশাল বালু সিন্ডিকেট। ২৪-এর আন্দোলনের পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ঢাকার ভাটারা থানায় হত্যা মামলা হয় ছাত্তারের বিরুদ্ধে। এতে আত্মগোপনে চলে যান ছাত্তার। তবে বর্তমানে বিএনপির ছত্রছায়ায় পুনরায় বালুর ব্যবসা দখলে নেন। এখন তিনি টাঙ্গাইল এবং সিরাজগঞ্জে বিএনপির সহযোগিতায় অবৈধভাবে বালুর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, যমুনা সেতুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এর উজান ও ভাটির নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে বালু উত্তোলন এবং ভারী বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে প্রশাসনের এই নিষেধাজ্ঞাকে তোয়াক্কা না করে ছাত্তারের সিন্ডিকেট যমুনার বিভিন্ন পয়েন্টে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে।
এদিকে সাত্তারের ব