Login সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও খুঁজুন ই-পেপার Eng Login জেলা ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ ভবন থেকে চুয়েট উপাচার্যকে বের করে আনলেন ডিসি–এসপি সংবাদদাতা চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৩: ৫২ অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত করে চুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে বের নিয়ে যাচ্ছেন জেলা প্রশাসক মোহম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। আজ সন্ধ্যায় ছবি: প্রথম আলো প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) প্রশাসনিক ভবন থেকে বের হতে পেরেছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে বের করে নিয়ে যান। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, তিনি আর এই ক্যাম্পাসে আসবেন না— সেই শর্তে তাঁকে যেতে দেওয়া হয়েছে।
আজ বিকেল পাঁচটার দিকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসেন। এ সময় তাঁরা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। জেলা প্রশাসক বলেন, ‘উপাচার্য সরকারিভাবে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি অসুস্থ। আমরা এখানে এসেছি তাঁকে নিয়ে গিয়ে তাঁর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে। তিনি এখানকার ছাত্র ছিলেন, অ্যালামনাই। আমরা বিশ্বাস করি, একজন বয়স্ক মানুষের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’
এ সময় শিক্ষার্থীদের পক্ষে যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার বলেন, ‘শুরু থেকেই আমাদের আন্দোলন তাঁর বিরুদ্ধে ছিল না; কিন্তু তিনি আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন আটকে দিয়েছেন। আমাদের অনেক শিক্ষককে হুমকি দিয়েছেন। তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকেছেন। তিনি এই ক্যাম্পাস থেকে আজ যেতে পারবেন একটি শর্তে—তিনি আর কখনো ক্যাম্পাসে আসবেন না।’
পরে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সিভিল সার্জন প্রশাসনিক ভবনের ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর উপাচার্যসহ ভেতরে অবরুদ্ধ থাকা ব্যক্তিদের অ্যাম্বুলেন্সে করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ সময় পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘উপাচার্য এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষার্থী ছিলেন। শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি বুঝেছে, তারা পরিণত। একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে উপাচার্যের চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এ জন্যই আমি ও জেলা