বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ Login বন্ধুদের লেখা কার্যক্রম ফিচার খেলা ক্যারিয়ার মনোবন্ধু ফটো ফিচার বন্ধুসভা সম্পর্কে ফিচার সমুদ্রে জোয়ার-ভাটা কেন এবং কীভাবে হয় লেখা: নাজিম আল মামুন প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ৩৯ সমুদ্রে জোয়ার-ভাটা ছবি: নাসা সৈকতের তীরে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকালে অনেকেরই মনে হয়, বিশাল নীল আকাশ যেন সমুদ্রের জল ছুঁয়ে গেছে। ভ্রমণপিপাসুদের চোখে আরেকটি বিষয়ও সহজেই ধরা পড়ে—সমুদ্রের পানির নিয়মিত ওঠানামা। কখনো পানি এগিয়ে আসে তীরের দিকে, আবার কিছু সময় পর ধীরে ধীরে সরে যায় গভীর সমুদ্রের দিকে। এই নিয়মিত ওঠানামাই জোয়ার-ভাটা নামে পরিচিত।
বাংলাদেশের উপকূলসহ বিশ্বের অধিকাংশ উপকূলীয় এলাকায় সাধারণত দিনে দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা দেখা যায়। তবে জোয়ার-ভাটার নির্দিষ্ট সময় প্রতিদিন একই থাকে না। চাঁদের পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ এবং পৃথিবীর নিজ অক্ষে ঘূর্ণনের কারণে দুটি উচ্চ জোয়ারের ব্যবধান প্রায় ১২ ঘণ্টা ২৫ মিনিট। ফলে প্রতিদিন জোয়ারের সময় প্রায় ৫০ মিনিট করে পিছিয়ে যায়। স্থানীয় উপকূলের আকৃতি, সমুদ্রের গভীরতা, দ্বীপ, নদীমোহনা ও অন্যান্য ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে জোয়ার-ভাটার সময় ও উচ্চতাও স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়।
পর্যটক কিংবা প্রকৃতিপ্রেমীদের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে—সমুদ্রের জল কেন একবার তীরে উঠে আসে এবং আরেকবার সরে যায় গভীর সমুদ্রের দিকে? এই ওঠানামার পেছনে কী কাজ করে? সমুদ্রের বিশাল জলরাশিকে আসলে কোন শক্তি নিয়মিতভাবে প্রভাবিত করে?
অনেকেরই হয়তো জানা আছে, পৃথিবীর জোয়ার-ভাটার প্রধান কারণ হলো চাঁদের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ। তবে শুধু চাঁদই নয়, সূর্যের মহাকর্ষও জোয়ার-ভাটায় ভূমিকা রাখে। চাঁদ পৃথিবীর তুলনামূলকভাবে অনেক কাছে থাকায় জোয়ার সৃষ্টিতে তার প্রভাব সূর্যের চেয়ে বেশি।
চাঁদ এবং সমুদ্রের জলের মধ্যে কিসের সম্পর্ক চাঁদ পৃথিবীর সমুদ্রের জলকে কোনো যান্ত্রিক শক্তি দিয়ে টেনে নেয় না; বরং চাঁদের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে ভিন্ন মাত্রায় কাজ করে। চাঁদের সবচেয়ে কাছের পৃথিবীর অংশে এই আকর্ষণ তুলনামূলক বেশি এবং দূরের অংশে তুলনামূলক কম। এই পার্থক্যই সমুদ্রের পানির বণ্টনে পরিবর্তন ঘটায় এবং জোয়ারের সৃষ্টি করে।
পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব প্রায় ৩ লাখ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। অন্যদিকে সূর্য পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে। সূর্য চাঁদের তুলনায় অনেক বেশি ভরযুক্ত হলেও এত দূরে অবস্থান করার কার