X (Twitter) Toggle navigation সর্বশেষ বাংলাদেশ জাতীয় রাজনীতি বিশেষ প্রতিবেদন দেশজুড়ে জেলার খবর অর্থনীতি আন্তর্জাতিক খেলাধুলা ক্রিকেট ফুটবল চাকরি টপ টেন ভিডিও বিনোদন হলিউড বলিউড ফিচার ফটো গ্যালারি লাইফস্টাইল তথ্যপ্রযুক্তি ভ্রমণ কৃষি ও প্রকৃতি জোকস একুশে বইমেলা অন্যান্য শিক্ষা ক্যাম্পাস স্বাস্থ্য আইন-আদালত ধর্ম ইসলাম অন্যান্য ধর্ম প্রবাস গণমাধ্যম নারী ও শিশু বাণিজ্য মেলা সাহিত্য জাগো জবস মতামত সোশ্যাল মিডিয়া পডকাস্ট আর্কাইভ বিবিধ ইউনিকোড কনভার্টার ENG দেশজুড়ে দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন শেরপুর সদর হাসপাতাল, জেনারেটরও অচল জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি শেরপুর প্রকাশিত: ০৯:৪৫ এএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ X (Twitter) X শেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে প্রায় দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় কার্যক্রম চলেছে। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর জেনারেটরও চালু না হওয়ায় অন্ধকার ও ভ্যাপসা গরমের মধ্যে রোগী ও স্বজনরা নাকাল হয়ে পড়েন। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন শিশু ও স্বজনরা।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে হঠাৎ হাসপাতালের বিদ্যুৎ চলে যায়। এরপর জেনারেটরও বন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় থাকতে হয় হাসপাতালটিতে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে রোগী ও স্বজনদের গরম ও অন্ধকারের মধ্যে সময় কাটাতে হয়।
মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা আমিনুল ইসলাম রাজু বলেন, বিদ্যুৎ নেই প্রায় দুই ঘণ্টা হলো। এটা দেখারও কেউ নেই। আমি সিভিল সার্জনকে জানিয়েছি। তিনি বলেছেন, তিনি তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে কথা বলবেন। এখানেই তাদের গল্প শেষ। ভ্যাপসা গরম ও অন্ধকারে রোগীর অসুস্থতা আরও বেড়ে গেছে।
সুরাইয়া জাহান রত্মা বলেন, আম্মাকে নিয়ে হাসপাতালে আছি। সন্ধ্যা থেকে দুই ঘণ্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ নেই, একেতো অন্ধকারে চোর- ছিনতাইকারীদের ভয়, আবার ভ্যাপসা গরমে শরীরের অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে। একটা জেলা সদর হাসপাতালের যদি এমন দশা হয়, তাহলে মানুষ কোথায় যাবে।
এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুহাম্মদ এমরান হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ ছিল না, আমি মাত্রই জেনেছি। জানার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে বিদ্যুতের বিষয়টি যিনি দেখেন, আব্দুল হান্নানের সঙ্গে কথা বলেছি। হাসপাতালের বিদ্যুতের ফিউজ কেটে গেছে। আর জেনারেটরের অটো সিস্টেমে সমস্যা হওয়ায় সেটিও চলছে না। হান্নান বিষয়টি দেখছেন।
হাসপাতালে বিদ্যুতের দায়িত্বে থাকা আব্দুল হান্নানের সঙ্গে