শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ Login পদার্থবিজ্ঞান প্রযুক্তি গণিত মহাকাশ জীববিজ্ঞান কার্যকারণ বিজ্ঞান কল্পগল্প কমিকস বিজ্ঞানরম্য সাক্ষাৎকার প্রযুক্তি এআইয়ের যুগে ক্যাপচা কি অকেজো হয়ে যাচ্ছে শিউলী সুলতানা প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০১: ০০ এআইয়ের যুগে কি এই ক্যাপচাগুলোর দিন ফুরিয়ে এল? ছবি: গেটি ইমেজ কোনো ওয়েবসাইটে ঢুকতে বা ফর্ম পূরণ করতে গেলে প্রায়ই একটা বিরক্তিকর কাজ করতে হয়। স্ক্রিনে বেশ কয়েকটি ঘোলাটে ছবি ভেসে ওঠে, তারপর বলা হয় সেখান থেকে ট্রাফিক লাইট, মোটরসাইকেল কিংবা সাইকেলের ছবিগুলো বেছে নিতে। অথবা শুধু একটা বক্সে টিক দিতে হয়—‘আই অ্যাম নট আ রোবট’।
এই পরীক্ষাগুলোর নামই হলো ক্যাপচা। পুরো নাম কমপ্লিটলি অটোমেটেড পাবলিক টুরিং টেস্ট টু টেল কম্পিউটারস অ্যান্ড হিউম্যানস অ্যাপার্ট। নামটা বেশ বড় হলেও এর কাজটা খুব সোজা। ওয়েবসাইটের ওপাশে বসে থাকা সত্তাটি রক্তমাংসের মানুষ নাকি স্বয়ংক্রিয় কোনো বট বা সফটওয়্যার, সেটা যাচাই করাই এর মূল লক্ষ্য। তাত্ত্বিকভাবে এই কাজগুলো মানুষের জন্য খুব সহজ হলেও সফটওয়্যারের জন্য বেশ কঠিন। এই পরীক্ষার মাধ্যমেই স্প্যাম ছড়ানো, ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা বা ওয়েবসাইট হ্যাক করার মতো কাজ থেকে বটগুলোকে দূরে রাখা যায়।
ওয়েবসাইটের ওপাশে বসে থাকা সত্তাটি রক্তমাংসের মানুষ নাকি স্বয়ংক্রিয় কোনো বট বা সফটওয়্যার, সেটা যাচাই করাই ক্যাপচার মূল লক্ষ্য ছবি: ওয়ানজিরো - মিডিয়াম কিন্তু সমস্যা হলো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন এতই উন্নত যে তারা সহজেই এসব ক্যাপচা সমাধান করে ফেলছে। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জন্য এই পাজলগুলো দিন দিন আরও কঠিন ও অদ্ভুত হয়ে উঠছে। তাহলে কি এই ক্যাপচাগুলোর দিন ফুরিয়ে এল?
২০১৪ সালে গুগল আনল রিক্যাপচা ভি-টু। এটি মানুষের মাউস নাড়ানোর ধরন বিশ্লেষণ করে বুঝতে পারত, সে মানুষ নাকি বট। যদি সন্দেহ হতো, তবে সেই রাস্তার ছবির পাজলটা স্ক্রিনে ভেসে উঠত। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে খুব সাধারণ কিন্তু কঠিন একটি সমস্যার সমাধান হিসেবে ক্যাপচা চালু হয়। সুইজারল্যান্ডের ইটিএইচ জুরিখের কম্পিউটার বিজ্ঞানী আন্দ্রেয়াস প্লেসনারের মতে, মূল প্রশ্নটি ছিল, ‘আমি যার সঙ্গে ইন্টারঅ্যাক্ট করছি, সে কি মানুষ নাকি কম্পিউটার?’ শুরুর দিকের ক্যাপচাগুলোতে মূলত বাঁকা বা বিকৃত অক্ষর ব্যবহার করা হতো। কারণ তখনকার টেক্সট-রিডিং সফটওয়্যারগুলো এই বিকৃত অক্ষরগুলো পড়তে পারত না।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সফটওয়্যা